sculptures

Showing posts with label kolkata. Show all posts
Showing posts with label kolkata. Show all posts

Sunday, 22 December 2013

অকারণ: Nostalgia/Enochlophobia/( whim/ Lust/Hunger/ Thirst/) ( 1 )



ইদানিং সন্ধে গুলো বড় তাড়াতাড়ি নামছে. দিনগুলো ফুরিয়ে যাচ্ছে.. আচ্ছা, সন্ধের গন্ধে একটা অচেনা বিষন্নতা কেন পাই? জানলার বাইরের জমাট অন্ধকার হাতছানি দিয়ে যায়...কলকাতা মেক আপ করছে..আলোয়, .তাও অন্ধকারের সুইচ অন থাকে.. শীতের স্ট্যাম্প মারা আবেশ, গোধুলি কে ফর্মাল গুডবাই জানায় রাস্তার হলুদ আলো. হলুদ আলোর মায়াবী কলকাতা...ঠিকানা হারিয়ে ফেলা কলকাতা, অভিমানী পোস্ট মডার্ন কলকাতা, পোস্ট কলোনিয়াল ট্যাগ বয়ে বেড়ানো কলকাতা...

আমার রাত ছবির ক্যানভাস ঘিরে শেষ বিকেলের ফুরিয়ে যাওয়া আলো, আমার ঘরে ফেরার লাস্ট অটো...জানি আরেকটা মর্নিং আসার জন্য ব্যাকুল..ফেরার সময় আবার psychedelic' ইচ্ছে ' Lists কলিং বেল বাজিয়ে যাবে রুটিন মাফিক...বলবে: আছা গড়ের মাঠের ঘোড়া গুলো এখনো হাওয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে ছোটে?এখনো? ওখানে ঘাসের সিম্ফনি গুলো জ্যোত্স্না রাতেই হরদম মুনলাইট সোনাটার জাল বোনে? এখনো? সকালবেলায় বাইপাসএর উজান ঠেলে যাবার সময় রোজ ভাবি, আজ যাই...একদিন যাবই ..

আচ্ছা ... ইচ্ছে গুলোয় কি তাড়াতাড়ি Drop Scene নামছে? ফ্যাকাশে, মরা, মন কেমনের টোটেমওলা সন্ধেগুলোর মত? ঘুম ভেঙ্গে সিলিংএর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে পিছু টান কিছু কিছু সময়ের পাস্ট টেন্স টেনে আনে.
কার্নিশ থেকে সূর্যের আলাপ...একটা দুটো আবদার খেলাপ..কত কিছুই যে মনে পরে... ধোয়া চাই, ধোয়া..আহঃ..পিছুটান থেকে সুখটান থেকে গুনগান থেকে রোদ্দুরের কাক্স্নান ...স্মোক স্নান ..টান টান ...কেউ দাবানল  তৈরী  করলোনা..আমার পোড়ার সাধ... তাই আগুনে পোড়ার জন্য মোমবাতির  আশেপাশে  ঘুরছি...
Hmmmmm..
একেকটা দিন যেন শুধূ ক্যালেন্ডারএ ভিড় জমানোর জন্যই আসে... তাদের ফর্ম নেই, স্টেটাসও না...কাজ হযেও Failure!. সেগুলো নষ্ট দিন...কোনো কাজ না হবার দিন.. কাজ হয়েও না হবার দিন.. কত দিন যে  এরকম ভাবেই নষ্ট হয়! নষ্ট হলো....লাগাম ছেড়া ইছে গুলো কেন এরকম দিশেহারা? ওরাও কি ভিড় হয়ে গেল? ওদের ঠিকানা কি বার খুজে পাব? কোনদিন? সত্যি কি দিনগুলো তাড়াতাড়ি শেষ হচ্ছে?
কাজ ...কাজের মানুষদের কাজ, অকাজের কাজ... কৈ..তেমন ভাবে করা হলো নাতো? কাজের মধ্যে কত কাজ..মানে কাজের কাজ. যেমন? নীল চিঠি লিখেছিল যারা ? তাদের একটা ডায়েরিতে তুলে রাখা, নীমের পাতা দিয়ে...আচ্ছা আমি কতদিন চিঠি লিখি না...আজকাল সবার মত আমিও কেমন email করি... এই শহরের আর সবার মত  আমিও কি ভিড়ে হারিয়ে গেলাম? কবে কারা আগুন জ্বালিয়েছিল...কবে একটা বিষাদের সুর নীল চিঠি জুড়ে...কোথায় সব? তারাও কি ঠিকানা হারালো? তেপান্তর পেরিয়ে বন ময়ুরীর অজানা শান্ত গ্রামে ?...কাজের কাজ আরো আছে...পার্ক স্ট্রিটএর সেমেট্রিতে কিছু মেমরি ডিকোড করা ধোয়া, কিছু 'যারা বৃষ্টিতে ভিজেছিল'...
মেমরি কার্ডএ কতকিছু যে জমানো হাবি জাবি...যেমন আমার 'ভীষণ গোছালো ' ঘরের গোছানো drawer...কতকিছু জমানো...মেয়েবেলার কার্ড, অবহেলায় Reject করা রাইটিং প্যাড, রাগ করে না ছুয়ে দেখা বই...একসময় 'তুলে রাখব' আন্দোলনের সাক্ষী..শুরুতে একটা মার্চ পাস্ট টাইপ শৃঙ্খলা ছিল...যার যার 'স্পেস' আমার ঠিক করে দেওয়া...এখন সব কোলাজ হয়ে গ্যাছে..একটার সার্চ করলে আরেকটা Present Mam বলে! ( Seems like Memory?)

আমার বইয়ের আলমারি রোজ ঝাড়া হয় না...বইয়ের স্তুপ থেকে তাই আর কিছু খুজেও পাই না...বইগুলো আছে...নিজেদের মতন করে...ওরা ভিড় হয়নি...কত বই...বইয়ের পাহাড়...পড়া হয় না...ওই যে বললাম কাজের কাজ হয় না করা..

"তুমি ভেবেছিলে যাবে বদলে যাবে নতুন করে জীবনের রং...আমিও তোমার মত সেই নতুনের অপেক্ষায় ছিলাম...তবু একটু একটু করে সময়ের অগোচরে.. গেলাম হয়ে পুরনো সবাই.."        
অসময়ের পরিচয়. কিছু আলগা শরিক, কিছু এক সাথে মুহূর্ত তৈরির নাগরিক..অসমাপ্ত, অযান্ত্রিক....
সময়ের কানাগলি পেরিয়ে যে কত মুখ আজ সেপিয়া টোনে ধরা পরে, জানি তাদের সাথে দেখা হওয়াটা নেহাত coincidence ! অর্থাৎ ইচ্ছেটা জুজুবুড়ির সাথে ভাব পাতালে তবেই সেই ইন্দ্রপতন!
কিছু কিছু চলে যাওয়া time, space, memory কে কব্জা করে বসে থাকে,ঠিক যেমন কিছু পুরুষ ইগোর কালিতে  স্টাম্প মেরে নিজেদের space আর পুরুষালি তকমা বাঁচিয়ে রাখে! (What about Bergsons Theory of Time, Place and Consciousness???

হয় না...হলো না...এভাবে নয়.. অন্য কথাও অন্য কোনো খানে .....মন মাডামর কথা শুনে উদ্দেশ্যহীন ভাবেই হেটে চলা..শুধু হেটে যাব. হাটার জন্যই হাটা... কোনো কারণ ছাড়া...ঠিকানা ছাড়া..শুধু ‘Minimalism movement’ যদি মনের ওপর টর্চ মেরে আলো জালাত ???
তবু বারবার ফিরে চাই..ভাবি বলি.....এখনোতো গল্পের দিন, এখনো তো কিছু কিছু ছবি...মন মেলে পাখনা গজায় ....
 আবার ভাবি...  নাহ থাক...না রাখা কথার পিছুটানগুলো বড় টানে.....রোদ্রের হাসিতে অকারণ... রুপকথা স্কেচ করে যাই...নীল চিঠি পড়েছিল যারা? ঠিকানা খুজেছে এতদিন ...বার বার খুজেছে...ঠিক আমি যেমন খুজি? সকালের গুড মর্নিং রোদে? তেপান্তরের হাওয়া এসে দিয়েছে ঠিকানা ইশারায়...
কাল আরেকটা দিন...অযথা...অবান্তর...অসময় ..
তাও নিজেকে বলি..ওগো আন্তিগোনে...
এখনত চলবার দিন ...এখনত কিছু কিছু কথা...জাল বোনে ভার্স পোয়াম মোডএ ...ব্রেনর ব্যারাম আসছে ডাইরেক্ট রোডে..

Wednesday, 9 October 2013

উতসর্গ: (তারপর) ছেড়ে যাবার পথ ছিল অনেক, তারপর ফেরা দেশটুকু সেরা দেশটুকু খানেক, দলছুট বিকেল আর বিষন্ন একা ঘর ফেরা , এমন অভিসার ভরা রাত..শুধু তাদের -.ছেড়ে চলে গিয়েছে যারা!


পুজো 

কাল সকালে contents এর ভিড় নেই. কাল সকালের alarm অলস রূপ সায়রে পা ডুবিয়ে dormant মোড এ থাকলেও ক্ষতি নেই. কাল মাথার calculator ৮:৪৫ এর বাস মিস করলে চিন্তাগুলো (s) sub -conscious ঠেলে বেরিয়ে এসে বলবে না: এমনই হলো তৃতীয় গ্রহণ দেখা = ৩ দিন লেট! কাল আমার নিজের সকাল! চা এর আমেজ আর নকশা কাটা রোদ্দুর দেখবে ঘড়ির কাটার মিছিমিছি ছুটোছুটি! সময় উত্সবের ফুটপাথ ধরে কানা মাছি ভো ভো খেলতে খেলতে দেখবে আমি অ্যাশ ট্রে ঘিরে বুনছি জলছবি. কাল আমার নিজের দিন. আমার একলা ঘরের চুপকথার দিন. কাল আর মুখ- মুখোশ গুলোবে না. কাল একলা রাস্তায় হাটতে গিয়ে ভয় নামের কালো পাপোষে পা হরকে পরব ন! আমি যদি ভিড় হয়ে যাই?
আমিই ভিড় হয়ে যাই, আমি ভিড়ই হয়ে যাই..


আমার চেনা কলকাতা বদলাচ্ছে. পুজো পুজো রোদ আজকাল টের পাই না. কে জানে হয়ত মনের বয়স বাড়ছে. মহালয়া এলেও আমার পুজো আসে না. তবে মন চলে যায় বহুদূর....আমার যে আবার সবটাই প্রবাস! মনের! পুজোর রোদে মন খারাপ করা গন্ধটা সেই ছোটবেলা থেকেই চেনা. আজও পাই সেই চেনা গন্ধ..( বাড়ির শিউলি গাছটা কবে মরে গেছে, মনে আছে আমার মেয়েবেলায় পুজোর সকালে শিউলি ফুল তুলে মালা গাথতাম, অপটু হাতের মালার সুতো হলুদ হয়ে যেত; কিছু ফুল ছিরত তবু মালা গাথতাম! আর মালা গাথা হয় না ).. হয় না কতকিছুই! ময়দান জুড়ে পুজোর রোদে খালি পায়ে শাড়ির আঁচল লুটিয়ে হাটাও আর হয় না. ...ঘাটের কাছে শুধু গল্প বলে নদীর জল; ছলাত ছল ছলাত ছল!

পুজো আসে .....সম্পর্কের expiry ডেট পার করেও; পুজো আসে.!!!
আসার জন্যই আসে . আমার মন কেমনের সকালবেলার হাত ধরে, বাইরে বারান্দার মাটিতে রোদ্দুরের কাটাকুটি খেলায় , ছাদ জুড়ে কার্নিশ ডিঙিয়ে আমার আলট্রা মডার্ন পাড়ার নিস্তরঙ্গ গলিঘুজি পেরিয়ে. পুজো আসে. মুখের ভিড়ের দালান খোঁজে অযথা ব্যস্ততা . পাশের বাড়ির পুজো আসে কেনাকাটির ছলে; দোরে ঘরে Asian paints চড়ে! মেয়েবেলায় পুজো ছিল মুক্তি... আলোয় আলোয় ধুলায় ধুলায়..মুক্তি নেই, আগেও জেনেছি, মুক্তির বড় দাম.
চারপাশের ঝলমলে রোদ্দুর...সবুজের উপর ছুটতে ভালো লাগত...আকাশ নেমে আসবে বুকের ওপর.. সারা শরীর দিয়ে আকাশ মাখবো...মুখের ওপর বুকের ওপর..সেথায় আমার "সব পেয়েছির দেশ" আমার নেই অন্ধকার থেকে আছে অন্ধকারের দিকে ভীরু পায়ে হাটা .. আর কাশগুলো শরৎ গল্প বুনবে.. বলবে শেষ রাতের ছুয়ে যাওয়া তিরতির হাওয়ার কথা, বলবে: "তোমারো অভিসারে যাব অগম পারে... চলিতে পথে পথে বাজুক ব্যথা পায়ে.."
নাহ! 
আমি আর ছুটি না.. পুজো ছোটে..আমি সাথে ছুটি না... ভাবো! দোয়েল পাখির ভোর আসে, আসে না, পুজো আসে! শরীর জুড়ে পুজো পুজো গন্ধ , পুজো রং জড়ানো নেশা সব কেমন পুরনো ডায়রির নতুন পাতার মতন. যতই তার ফ্যাশন থাকুক স্টাইল টুকু আগাগোড়া নকল, কারণ তা পুরনো.

অলস রাতের কলকাতায় এখন কাজের মানুষ and মানুষদের পুজো রমরমিয়ে. আমি অকাজের. তাই বাদ. এ যেন রবি ঠাকুরের "ভুল স্বর্গ"! জানলা খুললেই পাশের বাড়ির যত্নের গাছ. বড় বেশি যত্ন !
দলছুট পাতাগুলয় তাই পুজোর গন্ধ নেই, ভাসান আছে. গাছের পাতার ফাকে রাতের গন্ধ ভাসে.
ভাসে আমার বুকেও. জানলার গারদ তখন চরণ গা আলতা নদী পেরিয়ে পাঠিয়ে দেয় আমার দেশে.সেখানে সবুজ নদী গেরুয়া পাহাড় সেখানেই আমি আদৃতা..ঠিক যতদুর মন ভেসে যায়? ঠিক ততদূর আমার দেশ! খুজে পাই আমার মেয়েবেলা, না খুজে পাই না, ঘুরে তাকাই.
তবু পুজো আসে. আমি অপেক্ষায় থাকি পুজো শেষ হওয়ার. মানুষ ভিড়, আলো... না... কাজ চাই, অনেক কাজ!