sculptures

Showing posts with label solitude. Show all posts
Showing posts with label solitude. Show all posts

Wednesday, 5 March 2014

অকারণ: Nostalgia/Enochlophobia/( whim/ Lust/Hunger/ Thirst/) (2)



আরেকটা দিন কাটল..গ্যাস বাতির সহরে, ফেরিওলার একঘেয়ে নিয়ম মাফিক হেকে যাওয়া রং চটা দুপুরে..কিছুই করা হলো না..আজও. বলা হলো না..শোনা হলো না...পাওয়া হলো না..দেখা হলো না,হয় না...হলো না...এভাবে নয়.. অন্য কথাও অন্য কোনো খানে ...'হলো'টা শুধু সালভাদোর দালির পুষ্টিকর তুলির ছোওয়া না পেয়ে পেয়ে অপুষ্টিতে ভুগে টাইম ফ্রেমএ eternal তকমা নিয়ে সুখে রাজত্য সামলালো...”হলনা"  আমার মেয়েবেলার জিওগ্রাফি বইতে পড়া এভারগ্রীন পাতা..Forever! নিয়ম!
হবে.হয়ত: .’না' মানেই তো আবহমান...’হলো’ তাই জোলো হয়ে গেল..
হলো, রাত, ঘুমের ঢেউ ওঠে শরীর জুড়ে, অথচ ঘুম পেরিয়ে পুরনো শৈশব,পুরনো গন্ধ, চেনা দেয়াল ;কিন্তু অচেনা মুখের সারি. মনে হয় গিয়ে ছুটে ছুয়ে ফেলি ঠান্ডা লাগা মরচে পরা খামখেয়ালীপনা, না ছোয়া যায় না...ছুলেই আমায় ঘিরে ফেলবে মায়া.আবেশ জড়ানো. নিবিড় মুখে, গলায়, বুকে. আর ইচ্ছে মত অন্ধকার মাখা যাবে না. কতদিন ভেবেছি বিষন্নতা গুলো মেখে নেব, জ্বরের যেমন ঘোর, ইচ্ছেরও আছে. শুধু ইচ্ছে গুলো ছোয়া যায় না, মাখা যায় না. এটাই "নিয়ম"! তাই কলঘরে বালতি বোঝাই জলের মতন জমা থাক. টইটুম্বুর! ওরা ওদের মতন করেই  থাক. গোছানো অগোছালো আছে যেমন? থাক, ইচ্ছে গুলো থাক জমা জলের মতন, ওদের তো Space চাই না, হাবিজাবি শৃঙ্খলা মেনেই থাক, collage হয়েই থাক, না খুজলেই হলো! ওহঃ ওদের তো ছোয়া যায় না! জমে থাক, জমুক, থাকুক.

ছেড়ে যাওয়াগুলো জমছে....একা পথে হাটাগুলো বেড়ে যাচ্ছে. রোগাপথ আপনজন.
কফি মাগে মাঝরাতে , "soliloquy, monologue,"
জেগে থাকা রাত একা একা জমে ম্লান ,
জমা স্রোত ঘিরে শরীর বসে ঠায়ে,
ঘন কুয়াশার mist -fall জমে গিয়ে
একলা নারীর কথা বলে Solitude

এ বুঝি চন্দ্রদোষ!.কবে আমার ক্রিং ক্রিং স্যাটেলাইট comrade একটা বার্তা বহন করে এনেছিল...কেউ ভুলে গিয়ে ভুল করেই ভুল প্রশ্ন করেছিল....তার নাম টা deleted আমার non expandable memory থেকে....প্রশ্নটা "ভালো আছ ?'' (মেমরি ডিকোড করা smoke বলে যায় চুপি সারে: "The burnt- out end of smoky days!" ) অবান্তর ....ভালো থাকাটা কি? পাস ওয়ার্ড হয়? Inhale করা যায়? সন্ধে ছুয়ে বিকেল গুলোয় ভালো থাকা যায়? ফেরি ঘাটে স্টীমার গুলো যখন অন্য কোথাও পারি জমানোর জন্য ঘাট ছেড়ে নির্বাসনে যায়, মন কেমন করে না? আমার করে. কত mob-conscience ভুলে ভিড় করে আসা  জমাট অন্ধকার নেমে এসেছে জল ছোয়া বিকেলে, ,আমি ঠায়ে দাড়িয়ে থেকেছি .. Motionless....ছুটছে শহর ...আমি স্রোতের বিপরীতে হেটেছি বার বার দলছুট নাবিকের মত ছুটে গেছি.....জানি ছুটবেই কলকাতা আরো অনেকক্ষণ......ঠিকানা হারিয়ে ফেলা কলকাতা, অভিমানী পোস্ট মডার্ন কলকাতা, পোস্ট কলোনিয়াল ট্যাগ বয়ে বেড়ানো কলকাতা... তবু মন কেমন করে .ঠিক কিভাবে ভালো থাকা যায়?? সবই নাকি মায়া! তাই হবে ! “মায়া” . Maya: তাও আবার Abstract Noun, তার কায়া হয় না. তাই তাকে ছোয়া যায় না, তবে সে থাকে, থাকেই!

 রাত থাকে না, থেমে..."নিয়ম" ! ভোর হয়, গঙ্গার ধারে এখন অবেলা থেকে নিম বেলা পর্যন্ত জলে আলো ঝিক ঝিক করবে. পাকা শোনা রঙের আলো. লালগোলা সোনালী রঙের থেকে আলোর রং হয়ে উঠবে রুপোর জাল দেওয়া নকশিকাথার মতন. শীত ফুরিয়েছে. সকালের পায়ে চলা ঘাসে তাই নরম হিম. ট্রামগুলো একে বেকে চলা শুরু করবে, ডিপো থেকে ঘুম ভেঙ্গে ট্রাম দেখবে আমার সহর টাকে. ট্রাম গুলো ভোর দেখে, রোজ, ভোরের গন্ধ, নরম পরশ মাখা সহরের অলিগলি চষে ফেলা হাওয়া ছুয়ে যায় ট্রামের ভাগ করা লোহার শরীর. ট্রাম গুলো রোজ ভোর দেখে, আমার তিললোত্তমার ভোরবেলা. আমার হয় না..দোয়েল পাখির ভোর দেখা...শীত বেড়েই যায়, ঠান্ডা এসে আচর দেয় মাটিতে,শরীরে,অথচ বাতাসে পলাশ নেশা, খবর বলছে এবারের মত শীত গত. নিম বেলা চটে উদাস,সিড়িতে চোখ নেই আর পশম পাতার মত শীত!সেই মত হাওয়া দেয় না আর ..সাদা পথ ধরে, যে পথে বন ময়ুরীর খোজে যায়নি কোনো -ঘরদোর্ বাধা বন্দী মুখ!  অথবা মুখোশ. দেবদারুর মোরাম বেছানো শান্ত পথে তাই সে হারায়নি, হারাতে ভিড় লাগে যে! সাদা পথ পড়ে থাকে একা. সেটাই বুঝি ট্রাম লাইন!
ট্রামের আর তার চলারও নিয়ম আছে, সময়! চলে গেল আরেকটা দিন, থেমে নেই সময়, নিয়ম! সব নিয়মে হয়? নিয়ম মেনে? হয় না, হলো না, এভাবে নয়...আরেকটা দিন...শেখা, চাওয়া, পাওয়া, করা বলা- কিছুই হলো না....বসন্ত উকি মেরে যায়....আমার উত্সব এলো না...

ধুলো জমছে রাস্তা জুড়ে, 'জমছে'
পড়ে ফেলা বই জমছে,
Ash ট্রে ঘিরে রুপকথা আনাগোনা,
জমছে কথার স্তুপ ..
ছাইয়ের গভীরে কান্না নদীর বাস
Transcendental form e জমে উঠছে চুপ!!!

যা কিছু জমে সবই তো নিয়ম, নাকি পরতের পর পরত , এমনিই জমে, তারও নিয়ম আছে, সময়ের পলি আছে, শৃঙ্খলা আছে, যেমন আছে রেসুমের! আছা জীবনের Updated Resume হয়?
হয় কিছু কাজ, হয়,( বার বার এক ভুল গুলো হয়)...আচ্ছা, ভুলের expiry date হয় না?







Wednesday, 9 October 2013

উতসর্গ: (তারপর) ছেড়ে যাবার পথ ছিল অনেক, তারপর ফেরা দেশটুকু সেরা দেশটুকু খানেক, দলছুট বিকেল আর বিষন্ন একা ঘর ফেরা , এমন অভিসার ভরা রাত..শুধু তাদের -.ছেড়ে চলে গিয়েছে যারা!


পুজো 

কাল সকালে contents এর ভিড় নেই. কাল সকালের alarm অলস রূপ সায়রে পা ডুবিয়ে dormant মোড এ থাকলেও ক্ষতি নেই. কাল মাথার calculator ৮:৪৫ এর বাস মিস করলে চিন্তাগুলো (s) sub -conscious ঠেলে বেরিয়ে এসে বলবে না: এমনই হলো তৃতীয় গ্রহণ দেখা = ৩ দিন লেট! কাল আমার নিজের সকাল! চা এর আমেজ আর নকশা কাটা রোদ্দুর দেখবে ঘড়ির কাটার মিছিমিছি ছুটোছুটি! সময় উত্সবের ফুটপাথ ধরে কানা মাছি ভো ভো খেলতে খেলতে দেখবে আমি অ্যাশ ট্রে ঘিরে বুনছি জলছবি. কাল আমার নিজের দিন. আমার একলা ঘরের চুপকথার দিন. কাল আর মুখ- মুখোশ গুলোবে না. কাল একলা রাস্তায় হাটতে গিয়ে ভয় নামের কালো পাপোষে পা হরকে পরব ন! আমি যদি ভিড় হয়ে যাই?
আমিই ভিড় হয়ে যাই, আমি ভিড়ই হয়ে যাই..


আমার চেনা কলকাতা বদলাচ্ছে. পুজো পুজো রোদ আজকাল টের পাই না. কে জানে হয়ত মনের বয়স বাড়ছে. মহালয়া এলেও আমার পুজো আসে না. তবে মন চলে যায় বহুদূর....আমার যে আবার সবটাই প্রবাস! মনের! পুজোর রোদে মন খারাপ করা গন্ধটা সেই ছোটবেলা থেকেই চেনা. আজও পাই সেই চেনা গন্ধ..( বাড়ির শিউলি গাছটা কবে মরে গেছে, মনে আছে আমার মেয়েবেলায় পুজোর সকালে শিউলি ফুল তুলে মালা গাথতাম, অপটু হাতের মালার সুতো হলুদ হয়ে যেত; কিছু ফুল ছিরত তবু মালা গাথতাম! আর মালা গাথা হয় না ).. হয় না কতকিছুই! ময়দান জুড়ে পুজোর রোদে খালি পায়ে শাড়ির আঁচল লুটিয়ে হাটাও আর হয় না. ...ঘাটের কাছে শুধু গল্প বলে নদীর জল; ছলাত ছল ছলাত ছল!

পুজো আসে .....সম্পর্কের expiry ডেট পার করেও; পুজো আসে.!!!
আসার জন্যই আসে . আমার মন কেমনের সকালবেলার হাত ধরে, বাইরে বারান্দার মাটিতে রোদ্দুরের কাটাকুটি খেলায় , ছাদ জুড়ে কার্নিশ ডিঙিয়ে আমার আলট্রা মডার্ন পাড়ার নিস্তরঙ্গ গলিঘুজি পেরিয়ে. পুজো আসে. মুখের ভিড়ের দালান খোঁজে অযথা ব্যস্ততা . পাশের বাড়ির পুজো আসে কেনাকাটির ছলে; দোরে ঘরে Asian paints চড়ে! মেয়েবেলায় পুজো ছিল মুক্তি... আলোয় আলোয় ধুলায় ধুলায়..মুক্তি নেই, আগেও জেনেছি, মুক্তির বড় দাম.
চারপাশের ঝলমলে রোদ্দুর...সবুজের উপর ছুটতে ভালো লাগত...আকাশ নেমে আসবে বুকের ওপর.. সারা শরীর দিয়ে আকাশ মাখবো...মুখের ওপর বুকের ওপর..সেথায় আমার "সব পেয়েছির দেশ" আমার নেই অন্ধকার থেকে আছে অন্ধকারের দিকে ভীরু পায়ে হাটা .. আর কাশগুলো শরৎ গল্প বুনবে.. বলবে শেষ রাতের ছুয়ে যাওয়া তিরতির হাওয়ার কথা, বলবে: "তোমারো অভিসারে যাব অগম পারে... চলিতে পথে পথে বাজুক ব্যথা পায়ে.."
নাহ! 
আমি আর ছুটি না.. পুজো ছোটে..আমি সাথে ছুটি না... ভাবো! দোয়েল পাখির ভোর আসে, আসে না, পুজো আসে! শরীর জুড়ে পুজো পুজো গন্ধ , পুজো রং জড়ানো নেশা সব কেমন পুরনো ডায়রির নতুন পাতার মতন. যতই তার ফ্যাশন থাকুক স্টাইল টুকু আগাগোড়া নকল, কারণ তা পুরনো.

অলস রাতের কলকাতায় এখন কাজের মানুষ and মানুষদের পুজো রমরমিয়ে. আমি অকাজের. তাই বাদ. এ যেন রবি ঠাকুরের "ভুল স্বর্গ"! জানলা খুললেই পাশের বাড়ির যত্নের গাছ. বড় বেশি যত্ন !
দলছুট পাতাগুলয় তাই পুজোর গন্ধ নেই, ভাসান আছে. গাছের পাতার ফাকে রাতের গন্ধ ভাসে.
ভাসে আমার বুকেও. জানলার গারদ তখন চরণ গা আলতা নদী পেরিয়ে পাঠিয়ে দেয় আমার দেশে.সেখানে সবুজ নদী গেরুয়া পাহাড় সেখানেই আমি আদৃতা..ঠিক যতদুর মন ভেসে যায়? ঠিক ততদূর আমার দেশ! খুজে পাই আমার মেয়েবেলা, না খুজে পাই না, ঘুরে তাকাই.
তবু পুজো আসে. আমি অপেক্ষায় থাকি পুজো শেষ হওয়ার. মানুষ ভিড়, আলো... না... কাজ চাই, অনেক কাজ!